রাজনীতি

জামালপুরে ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

প্রকাশিত: 03 Jan, 2026

ফন্ট সাইজ:
বাপ্পি
বাপ্পি

জেলা প্রতিনিধি

জামালপুরে ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটি আসনের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউসুপ আলী যাচাই-বাছাই শেষে কারণ উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ–বকশীগঞ্জ) এ আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী একেএম ফজলুল হকের হলফনামায় প্রদত্ত তথ্যে অসঙ্গতি পাওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জামালপুর-২ (ইসলামপুর) ইসলামপুর আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টি মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেছ খানের ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় তথ্যের গড়মিল পাওয়া যায়।

এছাড়া, মিথ্যা অভিযোগের সংশ্লিষ্টতায় মীর শরিফ হাসান লেলিন, দলীয় প্রধানের স্বাক্ষর সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা আল মাহমুদ, ঋণখেলাপির অভিযোগে জাতীয় পার্টি মনোনীত আনোয়ার হোসেন এবং দলীয় প্রধানের প্রত্যয়ন না থাকায় বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শওকত হাসান মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ–মাদারগঞ্জ) : এই আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মাওলানা মুজিবুর রহমান আজাদী, মেলান্দহ বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান (শুভ সিদ্দিকী), জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য শিবলুল বারী রাজু, ফারজানা ফরিদ পুথি এবং এস এম শাহিনুর রহমান।

রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় তথ্যের গড়মিল এবং জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকায় এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মুজিবুর রহমান আজাদী জানান, তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন: